রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬

আমরূপালীর দেশে

 আমরূপালীর দেশে

মিহির আলী বেশে

ঘুরেছি দেশে দেশে।

আম্রকাননে দেখা

আমার কালিতে লেখা।

মেহেরচান মেহের  বানুর ক্লেশ

আমার আমিত্ব বিসর্জন

কবিতা লেখা শেষ।

আমার কবিতা গুচ্ছ

স্মৃতি- বিস্মৃতির  বিষয় স্বচ্ছ

আয়নাতে দেখবে যে মুখ

দূর হবে আছে যত দুঃখ।

অন্ধজনে দিয়ে আলো

দূর করিবে মনের কালো।


শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

নীলাচল

 নীল আকাশের নীচে

রাস্তায় পথিকে ভীরে

তমাদের স্মৃতিকথা আমার ক্যানভাসে

জেগে উঠবে যে শিশু

অবকাশের নাম ফলকে।

হয়তো দেখা হবে বন্ধু

কোন এক সংগীত আসরে

শত জনের ভীরে চিনবে না

যে ছিল আপন, আপন ভুবনে।

জবাব দিতে গিয়ে মোর

ভুল হল যে ফুল

এই বলে কি পাবে সে কুল।

হিমালয় থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা

দেবালয় থেকে দেবালয়ে।

ঈশান কোণে মেঘ জমেছে

কালো মেঘে ঢাকা;

তাজমহলের পাথরে পাথরে

খুদাই করা যে নাম

তার জন্য চাইনা কোন দাম

মনের কথা বলব না

আর শ্যাম গো শ্যাম।


বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

পানামা কাব্য

 হে মরুপথের যাত্রী

গোধূলি লগ্নে

আকাশের দূর নীলিমায়

মিটিমিটি জ্বলে উঠা

সন্ধ্যা তারা।

গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে

শুক্র তার নাম।

নক্ষত্রের আলোয়

রাত জাগা পাখিদের

কলকাকলিতে মুখরিত ধরণ।

শোকতারা হয়ে দূর দিগন্তে

তাকিয়ে উপহাস করছে;

তোমাদের নীড়ে মানুষের ভীড়ে

দেখা যদি হয় জীবন নদীর তীরে।

দুঃখ পেলে কভু

বলিও তারে ভাল আছি ভালো ছিলাম।

বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

খেলা রাম খেলে যা

 খেলোয়ার নয় আমি

আমি খেলোয়াড়ি ;

হাতে কাকন বালা

লাল পেড়ে শাড়ি

পরিয়াছি বেলোয়ারি।

নিজের দোষে দোষী হলাম

আপনার মাঝে আপনি

বেশে তার ছদ্দবেশী।

জাতি ও জাতিয়তায়

খাটি বাংলাদেশী।

মা মাতা মাতৃভুমির টানে

গান ধরেছি প্রানে;

নবান্নের উৎসবে আসিব ফিরে

কার্তিক অঘ্রান মাসে

পিঠা পায়েশ পুলি

যদিগো তোমায় ভুলি,

কইবো কথস গানে গানে

কইবো  প্রান খুলে।

আমি নটরাজ আমি ভীম

ছদ্দবেশী দস্যুবনহুর।

আমার ও আমাদের বিচরণ

এই পৃথিবী থেকে বহুদূর।

আবার আসিবো ফিরে

আযানের মূধুর সুরে

পোহালে রাত্রি ভোর।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

কবিতায় তুমি

 কবিতায় তুমি কাজী নজরুল

মাথায় ঝাকরা চুল।

রবি ঠাকুরের শেষের কবিতা

যেমন ফুটে বনফুল।

দূর আকাশে, আকাশের চাঁদ  তারা

আমার কবিতায় লেখা।

পরিচয়ে পরিচয়হীন

আবার হলে দেখা;

আমার ক্যাভাসে আকা ছবি

দূর আকাশের উজ্জ্বল  নক্ষত্র তুমি

উষাকালে উদিত  হওয়া রবি।










সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

৫মী তৃতীয়া তিথী

 সিথির সিদুরে আকা

লাল টিপ,

সূর্যের করিও প্রণাম

আবার আসিব ফিরে

ধান সিড়ি এই বাংলায়

কুড়িয়ে অনেক সুনাম।

আইলা সিডর সাইক্লোনের আঘাতে

যদি করি জ্ঞানের ব্যাঘাত।

আমি জীবনান্দের চোখে রূপসী বাংলা-

নজরুলের বিষের বাশি

স্নেহধন্য মায়া মমতায়

তোমাদেরই ভালোবাসি।

হয় যদি মোর অপরাধ

ক্ষম নিজ গুণে

বিশ্বাস অবিশ্বাসের স্মৃতিগুলো

যে কথামালা তারা শোনে।

ভাব হয়েছে মনে মনে

কিসে দ্বন্ধ আমা সনে।

ব্যাথার সারথি হয়ে

যে ছিল মোর পাশে

এ জীবনে ঋণ শোধিব কি ক'রে

আমি যে বাধা তার ঋণে।

বিনে সুতার গাথামালা

ব্যাথাকাব্যে দান,

এই জীবনে পাবেনা তার দেখা

গেলেও মোর প্রাণ।


বাতিঘর

 বাতিঘর 

জবা ফুলে ফুলে

দক্ষিনা সমীরণে

ইচ্ছা হয় ইচ্ছা ঘুড়ি।

চরকা নিয়ে সুতা কাটে

এ যেন চাদের বুড়ি,

দূর আকাশে চাদের মেলা

যেতে হবে অচীন পুরে

হয়েছে অনেক বেলা।

বাজিগর ও বাজিগর

বিষন্নতার সূর্যস্নানে

তা'র বাতিঘর।

ফুটেছে ফুল বনে

আগুন লেগেছে মনে

ও সজনী রাগ করোনা

তোমার সাথে আড়ি।

ফুলের নিকট বলিও অলি

আবার আসিব ফিরে

ফুটিলে সেথায় কলি।

আলো ছায়া

 আলো ছায়া এম মোবারক হোসেন। রাতের আধার কাটে জোসনার আলো ছড়ায়ে আমার গানের সুর দিয়ে তাই এ মন আনন্দে ভরালে, এই কোন বন্ধনে শিকল বেরী দিয়ে পায় আমায়...