বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬

আলো ছায়া

 আলো ছায়া

এম মোবারক হোসেন।

রাতের আধার কাটে

জোসনার আলো ছড়ায়ে

আমার গানের সুর দিয়ে তাই

এ মন আনন্দে ভরালে,

এই কোন বন্ধনে

শিকল বেরী দিয়ে পায়

আমায় তুমি জড়ালে।

আলেয়ার আলোতে

আমার আখি জলে

পারবে কি মুছে দিতে

ঢেকে আছে যা আধারে।

সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬

পা হারা পথিক

 পা হারা পথিক

               এম মোবারক হোসেন

পা হারা পথিক মোরা

চলছি সঠিক পথে।

রাস্তা মাঝে নাস্তা খুজি

নাইকোন ধন পুজি।

রোজির আশায় লক্ষ যূজির পথ

বুজি বুজি পাড়ি দিতে হবে যে রথ।

যত রথ, তত পথ কিসে এত দ্বন্ধ

চোখ বুঝিলে সব অন্ধকার

সব খোলা, নয় কোন বন্ধ।

সন্ধি বিচ্ছেদে নৈ যোগে এক

এই পৃথিবীর পান্থপথে

দেখ দেখ চেয়ে থাকি দেখ।

দেখা আর অদেখায় এই কবিতা খানা লেখা;

শিক্ষা গুরুর চরণ দিয়ে

এই ভাষা,  এই বিদ্যা শেখা।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

ঐ নতুনের গানে

 ঐ নতুনের গানে

ঐ নতুনের কেতন উড়ে

কাল বৈশাখী ঝড়ে।

আমরা ক'জন নবীন মাঝি

আবীর মাখা রং মেখে গায়

নানা রংে সং সাজি।

ধরছি বাজি, হলেম রাজি

স্বাধীনতার সুখের পায়রা

অপরাজেয় বাংলায়

আমরা শহীদ, আমরা গাজী।

রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬

আমরূপালীর দেশে

 আমরূপালীর দেশে

মিহির আলী বেশে

ঘুরেছি দেশে দেশে।

আম্রকাননে দেখা

আমার কালিতে লেখা।

মেহেরচান মেহের  বানুর ক্লেশ

আমার আমিত্ব বিসর্জন

কবিতা লেখা শেষ।

আমার কবিতা গুচ্ছ

স্মৃতি- বিস্মৃতির  বিষয় স্বচ্ছ

আয়নাতে দেখবে যে মুখ

দূর হবে আছে যত দুঃখ।

অন্ধজনে দিয়ে আলো

দূর করিবে মনের কালো।


শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

নীলাচল

 নীল আকাশের নীচে

রাস্তায় পথিকে ভীরে

তমাদের স্মৃতিকথা আমার ক্যানভাসে

জেগে উঠবে যে শিশু

অবকাশের নাম ফলকে।

হয়তো দেখা হবে বন্ধু

কোন এক সংগীত আসরে

শত জনের ভীরে চিনবে না

যে ছিল আপন, আপন ভুবনে।

জবাব দিতে গিয়ে মোর

ভুল হল যে ফুল

এই বলে কি পাবে সে কুল।

হিমালয় থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা

দেবালয় থেকে দেবালয়ে।

ঈশান কোণে মেঘ জমেছে

কালো মেঘে ঢাকা;

তাজমহলের পাথরে পাথরে

খুদাই করা যে নাম

তার জন্য চাইনা কোন দাম

মনের কথা বলব না

আর শ্যাম গো শ্যাম।


বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

পানামা কাব্য

 হে মরুপথের যাত্রী

গোধূলি লগ্নে

আকাশের দূর নীলিমায়

মিটিমিটি জ্বলে উঠা

সন্ধ্যা তারা।

গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে

শুক্র তার নাম।

নক্ষত্রের আলোয়

রাত জাগা পাখিদের

কলকাকলিতে মুখরিত ধরণ।

শোকতারা হয়ে দূর দিগন্তে

তাকিয়ে উপহাস করছে;

তোমাদের নীড়ে মানুষের ভীড়ে

দেখা যদি হয় জীবন নদীর তীরে।

দুঃখ পেলে কভু

বলিও তারে ভাল আছি ভালো ছিলাম।

বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

খেলা রাম খেলে যা

 খেলোয়ার নয় আমি

আমি খেলোয়াড়ি ;

হাতে কাকন বালা

লাল পেড়ে শাড়ি

পরিয়াছি বেলোয়ারি।

নিজের দোষে দোষী হলাম

আপনার মাঝে আপনি

বেশে তার ছদ্দবেশী।

জাতি ও জাতিয়তায়

খাটি বাংলাদেশী।

মা মাতা মাতৃভুমির টানে

গান ধরেছি প্রানে;

নবান্নের উৎসবে আসিব ফিরে

কার্তিক অঘ্রান মাসে

পিঠা পায়েশ পুলি

যদিগো তোমায় ভুলি,

কইবো কথস গানে গানে

কইবো  প্রান খুলে।

আমি নটরাজ আমি ভীম

ছদ্দবেশী দস্যুবনহুর।

আমার ও আমাদের বিচরণ

এই পৃথিবী থেকে বহুদূর।

আবার আসিবো ফিরে

আযানের মূধুর সুরে

পোহালে রাত্রি ভোর।

আলো ছায়া

 আলো ছায়া এম মোবারক হোসেন। রাতের আধার কাটে জোসনার আলো ছড়ায়ে আমার গানের সুর দিয়ে তাই এ মন আনন্দে ভরালে, এই কোন বন্ধনে শিকল বেরী দিয়ে পায় আমায়...