আলো ছায়া
এম মোবারক হোসেন।
রাতের আধার কাটে
জোসনার আলো ছড়ায়ে
আমার গানের সুর দিয়ে তাই
এ মন আনন্দে ভরালে,
এই কোন বন্ধনে
শিকল বেরী দিয়ে পায়
আমায় তুমি জড়ালে।
আলেয়ার আলোতে
আমার আখি জলে
পারবে কি মুছে দিতে
ঢেকে আছে যা আধারে।
আলো ছায়া
এম মোবারক হোসেন।
রাতের আধার কাটে
জোসনার আলো ছড়ায়ে
আমার গানের সুর দিয়ে তাই
এ মন আনন্দে ভরালে,
এই কোন বন্ধনে
শিকল বেরী দিয়ে পায়
আমায় তুমি জড়ালে।
আলেয়ার আলোতে
আমার আখি জলে
পারবে কি মুছে দিতে
ঢেকে আছে যা আধারে।
পা হারা পথিক
এম মোবারক হোসেন
পা হারা পথিক মোরা
চলছি সঠিক পথে।
রাস্তা মাঝে নাস্তা খুজি
নাইকোন ধন পুজি।
রোজির আশায় লক্ষ যূজির পথ
বুজি বুজি পাড়ি দিতে হবে যে রথ।
যত রথ, তত পথ কিসে এত দ্বন্ধ
চোখ বুঝিলে সব অন্ধকার
সব খোলা, নয় কোন বন্ধ।
সন্ধি বিচ্ছেদে নৈ যোগে এক
এই পৃথিবীর পান্থপথে
দেখ দেখ চেয়ে থাকি দেখ।
দেখা আর অদেখায় এই কবিতা খানা লেখা;
শিক্ষা গুরুর চরণ দিয়ে
এই ভাষা, এই বিদ্যা শেখা।
ঐ নতুনের গানে
ঐ নতুনের কেতন উড়ে
কাল বৈশাখী ঝড়ে।
আমরা ক'জন নবীন মাঝি
আবীর মাখা রং মেখে গায়
নানা রংে সং সাজি।
ধরছি বাজি, হলেম রাজি
স্বাধীনতার সুখের পায়রা
অপরাজেয় বাংলায়
আমরা শহীদ, আমরা গাজী।
আমরূপালীর দেশে
মিহির আলী বেশে
ঘুরেছি দেশে দেশে।
আম্রকাননে দেখা
আমার কালিতে লেখা।
মেহেরচান মেহের বানুর ক্লেশ
আমার আমিত্ব বিসর্জন
কবিতা লেখা শেষ।
আমার কবিতা গুচ্ছ
স্মৃতি- বিস্মৃতির বিষয় স্বচ্ছ
আয়নাতে দেখবে যে মুখ
দূর হবে আছে যত দুঃখ।
অন্ধজনে দিয়ে আলো
দূর করিবে মনের কালো।
নীল আকাশের নীচে
রাস্তায় পথিকে ভীরে
তমাদের স্মৃতিকথা আমার ক্যানভাসে
জেগে উঠবে যে শিশু
অবকাশের নাম ফলকে।
হয়তো দেখা হবে বন্ধু
কোন এক সংগীত আসরে
শত জনের ভীরে চিনবে না
যে ছিল আপন, আপন ভুবনে।
জবাব দিতে গিয়ে মোর
ভুল হল যে ফুল
এই বলে কি পাবে সে কুল।
হিমালয় থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা
দেবালয় থেকে দেবালয়ে।
ঈশান কোণে মেঘ জমেছে
কালো মেঘে ঢাকা;
তাজমহলের পাথরে পাথরে
খুদাই করা যে নাম
তার জন্য চাইনা কোন দাম
মনের কথা বলব না
আর শ্যাম গো শ্যাম।
হে মরুপথের যাত্রী
গোধূলি লগ্নে
আকাশের দূর নীলিমায়
মিটিমিটি জ্বলে উঠা
সন্ধ্যা তারা।
গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে
শুক্র তার নাম।
নক্ষত্রের আলোয়
রাত জাগা পাখিদের
কলকাকলিতে মুখরিত ধরণ।
শোকতারা হয়ে দূর দিগন্তে
তাকিয়ে উপহাস করছে;
তোমাদের নীড়ে মানুষের ভীড়ে
দেখা যদি হয় জীবন নদীর তীরে।
দুঃখ পেলে কভু
বলিও তারে ভাল আছি ভালো ছিলাম।
খেলোয়ার নয় আমি
আমি খেলোয়াড়ি ;
হাতে কাকন বালা
লাল পেড়ে শাড়ি
পরিয়াছি বেলোয়ারি।
নিজের দোষে দোষী হলাম
আপনার মাঝে আপনি
বেশে তার ছদ্দবেশী।
জাতি ও জাতিয়তায়
খাটি বাংলাদেশী।
মা মাতা মাতৃভুমির টানে
গান ধরেছি প্রানে;
নবান্নের উৎসবে আসিব ফিরে
কার্তিক অঘ্রান মাসে
পিঠা পায়েশ পুলি
যদিগো তোমায় ভুলি,
কইবো কথস গানে গানে
কইবো প্রান খুলে।
আমি নটরাজ আমি ভীম
ছদ্দবেশী দস্যুবনহুর।
আমার ও আমাদের বিচরণ
এই পৃথিবী থেকে বহুদূর।
আবার আসিবো ফিরে
আযানের মূধুর সুরে
পোহালে রাত্রি ভোর।
কবিতায় তুমি কাজী নজরুল
মাথায় ঝাকরা চুল।
রবি ঠাকুরের শেষের কবিতা
যেমন ফুটে বনফুল।
দূর আকাশে, আকাশের চাঁদ তারা
আমার কবিতায় লেখা।
পরিচয়ে পরিচয়হীন
আবার হলে দেখা;
আমার ক্যাভাসে আকা ছবি
দূর আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্র তুমি
উষাকালে উদিত হওয়া রবি।
সিথির সিদুরে আকা
লাল টিপ,
সূর্যের করিও প্রণাম
আবার আসিব ফিরে
ধান সিড়ি এই বাংলায়
কুড়িয়ে অনেক সুনাম।
আইলা সিডর সাইক্লোনের আঘাতে
যদি করি জ্ঞানের ব্যাঘাত।
আমি জীবনান্দের চোখে রূপসী বাংলা-
নজরুলের বিষের বাশি
স্নেহধন্য মায়া মমতায়
তোমাদেরই ভালোবাসি।
হয় যদি মোর অপরাধ
ক্ষম নিজ গুণে
বিশ্বাস অবিশ্বাসের স্মৃতিগুলো
যে কথামালা তারা শোনে।
ভাব হয়েছে মনে মনে
কিসে দ্বন্ধ আমা সনে।
ব্যাথার সারথি হয়ে
যে ছিল মোর পাশে
এ জীবনে ঋণ শোধিব কি ক'রে
আমি যে বাধা তার ঋণে।
বিনে সুতার গাথামালা
ব্যাথাকাব্যে দান,
এই জীবনে পাবেনা তার দেখা
গেলেও মোর প্রাণ।
বাতিঘর
জবা ফুলে ফুলে
দক্ষিনা সমীরণে
ইচ্ছা হয় ইচ্ছা ঘুড়ি।
চরকা নিয়ে সুতা কাটে
এ যেন চাদের বুড়ি,
দূর আকাশে চাদের মেলা
যেতে হবে অচীন পুরে
হয়েছে অনেক বেলা।
বাজিগর ও বাজিগর
বিষন্নতার সূর্যস্নানে
তা'র বাতিঘর।
ফুটেছে ফুল বনে
আগুন লেগেছে মনে
ও সজনী রাগ করোনা
তোমার সাথে আড়ি।
ফুলের নিকট বলিও অলি
আবার আসিব ফিরে
ফুটিলে সেথায় কলি।
মন নিয়ে কথা
এম মোবারক হোসেন
তোমার ভুবনে
আজি প্রভাত
হেরিয়া শোধাল যে জন
গভীর অরন্য রোদন মাঝে
হারানো দিনের মন।
পল্লী জননী তমার কুটিরে
মুসাফির সেজে আসা
ক্ষুধার্ত জীবের আহার।
ফুটিবে ফুলে ফসলে ফলে
ভরেছে বাগানে
অপরুপে পাতা বাহার।
তাহারি মাঝে হীনতায়
অচেনা পথের দেখা
ভ্রু কুচিয়া ফুটিয়া উঠিল
কপালের ভাজ রেখা।
আমার স্মৃতির মাঝে
তমার কথার ঢালি
অন্তঃসার শূণ্যতায়-
বিরাজমান সেই হৃদয়খানি।
বন্ধ দুয়ারে রাখিয়া পদধূলি
ধন্য করে রেখ
অমর কাব্যে
ঊষার আলোয় ;
অন্ধকারে ঢেকে যাবে যখন গোধূলী।
এ লগ্নে দূর গগনে
সন্ধ্যা তারায়
খুজি
জন্ম জন্ম স্মরিও মোদের
লক্ষ্য যূজির আবর্তে
আমার স্মৃতির পাতাগুলি ।
ছাড়িয়া আপন বুলি
একেছি খাতায় যে রংগুলি
রং ধনুর সাত রংগে মাখিয়ে গায়ে সঙ
শুরু ও শেষ হিসাবের খাতায় হযবরল বং।
মগস সহচড তগটবৃ
টঘমৃপ রজনগসড ৃকহ ড়পরৃট
বডপহচৃ ুবঘবিৃদঘ ্রড কগস
্রঞপ গপষচ পঘগিস মৃকবড
বৃপৃসঘ হিসডপ মগস.
ড়গদদঞ কগসসঞ টগমৃপ তজঠহপড
মজুৃাহপ ুডকড ৃুৃ
ততবজবিৃপপট কঝনডপ ৃবৃপ৪পড
াজঠহনড াজগদ াগুদ াগদড রপডবেড নৃঋসড গড়পজড়ড ড়ৃটৃ নৃবৃপ.
টৃবৃপহ মৃকবড বঞসটৃচ
গডেসৃ ড়গটবডপ ডিতবৃ.
রপজ তজহেচৃ কড্ড জঠভহদ
তগড়ৃদডপ রৃক পডতবৃ.
ৃমৃপ ুমপপপহটহপস মৃকবড
টঘমৃডিপ তগ৫টবৃপ ীভৃদহ
গসট:ুৃপ ুবঝষচটৃচ
নহপৃকগমৃস ুডহ বপপহগিচ তবৃসহ.
নসবি জিচৃপড পৃতবহচৃ ুডহ ড়িবঝদঞ
বিসচ তগপড পডতব গমগপ তৃনচড
ঝূবৃঙপ ৃদঘচ-
গসবিতৃপড ীভডতড ্রৃনড ্রতবগসহ ্ঘবিঝদঞ.
ড দগ্সড ঝিপ ্গ্সড
ুগসবিচৃ টৃপৃচ ্রড়জ তবজকহ
কগসম কগসম ুমগপহঘ মঘডিপ
দগততবচ ্রঝকহট ৃনগপপটড
ৃমৃপ ুমপপহটহপ ড়ৃটৃ্জদহ.
নিরিবিলি নাচ
তিনি দ্বীনের উপবাস
বোজার উপর আটি
মা মাতা মাতৃভুমি
সব চাইতে খাটি।
ওমা তোর আঁচলে
করুনা আদর স্নেহে
খুজিয়াছি পরশ দেহে।
নাচালে নাচি খুশিতে
কাদালে ধরি রশি-
আমি জল্লাদ, আমি খুনি
প্রতিদিন তোমাদের আর্তনাদ শুনি।
আমি নট, আমি রাজ
বন বিহারে আমার কাজ,
যে দিল মালা, যে দিল তাজ
আমি সাজিয়াছি তারই সাজ।
সত্যালোকে
তোমার আমার হিয়ার তলে
আশার প্রদীপ জ্বলে;
চিরন্তন সে বাণী
শুনেছে যে জ্ঞানী
মিথ্যার অহংকার ভেদিয়া
আমি ফুসে ুউঠি রণ তূর্যে ছেদিয়া ।
মেঘনাদবদ কাব্যে মাইকেল
এ জীবন স্বরুপে স্বরুপে সাঁইকেল ।
চলিতে চরণ হয়নি তো মরণ
বরণ ঢালি সাজিয়া,
আমার এ রণ সঙ্গীত একদিন
উঠিবে হৃদয়ে বাজিয়া।
লংগদু,রাঙ্গামাটি
আলো ছায়া এম মোবারক হোসেন। রাতের আধার কাটে জোসনার আলো ছড়ায়ে আমার গানের সুর দিয়ে তাই এ মন আনন্দে ভরালে, এই কোন বন্ধনে শিকল বেরী দিয়ে পায় আমায়...